নতুন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যেসব মৌলিক প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে


১। হ্যান্ডওয়াশ বা সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করুনঃ
নিয়মিতভাবে বারবার স্যানিটাইজার দিয়ে অথবা সাবান-পানির মাধ্যমে হাত পরিষ্কার করুন।
প্রশ্নঃ কেন করবেন?
কেননা, যদি আপনার হাতে ভাইরাস থেকে থাকে, সাবান-পানি বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করলে, সেগুলো মরে যাবে।

২। জনসমাগম এড়িয়ে চলুন ও দূরত্ব বজায় রাখুনঃ
আপনার, আর হাঁচি-কাশি দেয়া যেকোনো ব্যক্তির মধ্যে ১ মিটার (৩ ফিট) দূরত্ব বজায় রাখুন।
প্রশ্নঃ কেন রাখবেন?
কেননা, কেউ হাঁচি বা কাশি দিলে, তাদের নাক-মুখ থেকে তরলের ছোট ছোট ফোঁটা ছড়িয়ে দেয়। এতে ভাইরাস থাকতে পারে। আপনি যদি তার খুব কাছাকাছি থাকেন, আপনার শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে এই ফোঁটাগুলো ভেতরে চলে যেতে পারে। কাশতে থাকা ব্যক্তিটি অসুস্থ হলে সেসব ফোঁটায় কভিড-১৯ ভাইরাস থাকতে পারে।

৩। সচেতন হোনঃ
এটা নিশ্চিত করুন যে আপনি এবং আপনার আশেপাশে থাকা লোকজন শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত ভদ্রতা চর্চা করেন। মানে, হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় কনুই বাঁকিয়ে হাত দিয়ে মুখ আড়াল করা অথবা ফেসিয়াল টিস্যু পেপার ব্যবহার করা। তারপর তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহৃত টিস্যু ডাস্টবিনে ফেলা।
প্রশ্নঃ কেন ফেলবেন?
কেননা, তরলের ছোট ছোট ফোঁটা ভাইরাস ছড়াতে পারে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত ভদ্রতা চর্চার মাধ্যমে আপনি আপনার আশেপাশে থাকা লোকজনকে ঠাণ্ডা, ফ্লু, আর কভিড-১৯এর মতো ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন।

৪। হাত দিয়ে নিজের নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ থেকে বিরত থাকুনঃ
হাত দিয়ে নিজের নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ থেকে বিরত থাকুন।
প্রশ্নঃ কেন বিরত থাকবেন?
কেননা, আপনার হাত নানা জায়গা স্পর্শ করে এবং ভাইরাস তুলে নিতে পারে। একবার সংক্রমিত হয়ে গেলে, আপনার হাত থেকে চোখ, নাক, কিংবা মুখে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেখান থেকে, ভাইরাস আপনার দেহে প্রবেশ করতে পারে। এবং আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে।

৫। শরীর ভালো না বোধ করলে ঘরে থাকুন। তবে জ্বর, সর্দি-কাশি বা করোনার আক্রমণের কোনো লক্ষণ দেখা গেলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হোনঃ
শরীর ভালো না বোধ করলে ঘরে থাকুন। তবে জ্বর কিংবা সর্দি-কাশি হলে, বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। স্থানীয় স্বাস্থ্য-কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা অনুসরণ করুন।
প্রশ্নঃ কেন অনুসরণ করবেন?
কেননা, আপনার এলাকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি কী, সেটি সবচেয়ে ভাল জানবেন জাতীয় ও স্থানীয় স্বাস্থ্য-কর্তৃপক্ষ। দ্রুত যোগাযোগ করলে যিনি আপনাকে স্বাস্থ্যসেবা দেবেন, তার পক্ষে আপনাকে সঠিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াটা সহজ হবে। এটা আপনাকে যেমন বাঁচাবে, তেমনি ভাইরাস ও অন্যান্য সংক্রমণের ছড়িয়ে পড়াটাও রোধ করবে।